রমজানে পিরিয়ডের দিন গুলো – নুর আতিকুন নেছা

রমজানে পিরিয়ডের দিন গুলো -এসে গেলো মাহে রমজান। সবাই খুশি থাকলেও মেয়েদের মনের কোথাও না কোথাও একটা ভয় থাকবেই।
ভাবছেন কিসের ভয়……
তাহলে শুনুন……
রমজানের প্রথম দিন থেকেই মেয়েদের ইনবক্সে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু হয়ে যায়,যারা কখনো খোঁজ ও নেয়নী তারা ও খোঁজ নিতে উঠে পরে লাগে।
তাদের একটাই প্রশ্ন রোজা আছো?
হয়ত কোন মেয়ে পিরিয়ড নিয়ে বলে “হা”
অথবা অনেকে বলে “না” “পেট ব্যাথা ” তাহলে হেঁসে লুটিয়ে পরে।


আরো দেখুণ: তবু মনে রেখো – মুহাম্মদ আলমামুন আব্দুল্লাহ
আরো দেখুণ: চুল পড়া বন্ধ করবে যে ১০ খাবার


আচ্ছা, এটা কী মজা করার বিষয়?
এটা নিয়ে হাসি ঠাট্টা করার বিষয়?
তাদের মা, বোনদের কী পিরিয়ড হয় না? তখন ও কি মা বা বোনকে প্রশ্ন করে ” মা রোজা রাখসো?”

রমজানে পিরিয়ডের দিন গুলো

একটা মেয়ে কতটা কষ্ট করে সেই দিন গুলোতে কেউ জানে? না জানতে চেয়েছে?
অসহ্য রকম পেট ব্যাথা নিয়ে এক গাল হাসি নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
যে পেট ব্যাথা একটি পুরুষের হলে সে হয়ত এরকম প্রশ্ন করতেই ভয় পেতো।
একবার ভাবুন যে মেয়েটা অল্প কিছুতে ভয় পেয়ে যায় সে মাসে ৩-৭দিন অসহ্য ব্যাথা ব্লিডিং সহ্য করে।
একজন মুসলিম মেয়ের জন্য রমজান কতটা ইম্পরট্যান্ট, কিন্তু পিরিয়ড জন্য রোজা, নামাজ, কোরআন এইসব এবাদত বন্ধ হয়ে যায়।

পরিবারের অন্য সদস্য যারা এবাদত করছে, সেখানে একজন মেয়ে অসহ্য ব্যথা নিয়ে মানুষের কথা শুনতে হচ্ছে! কেন???
“এটা তো মুসলিম নারীর জন্য অনেক কষ্টদায়ক। ”

কখনো আপনার পিরিয়ড হলে ২-৩ দিন তাহলে বুঝতে পারতেন।

আরো দেখুণ: পরিণাম – সুমাইয়া শাহরীন
আরো দেখুণ: জাতীয়করণের দাবী – এস এম তাইজুল ইসলাম

এই পিরিয়ড জন্য আপনি আমি দুনিয়াতে এসেছি, এটা না হলে হয়তো আপনার আমার অস্তিত্ব পৃথিবীতে থাকতো না।

দয়া করে এবার রমজানে কেউ কোন মেয়েকে ভুলেও এই প্রশ্নটা করবেন না।।

সব সময় সম্মান করতে শিখুন মেয়েদেরকে। নারী কোন অবহেলার পাত্রী নয়। আমরা নারীরা একটি পবিত্র গোলাপ। কথাগুলো আপনার খারাপ লাগলেও পুরোটাই বাস্তব তুলে ধরা হয়েছে।

আশাকরি ভুল বুজবেন না। ধন্যবাদ। নিজেকে শুধরানোর চেষ্টা করুন।

 

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করুণ।

Leave a Comment