রোজিনা আপার মুক্তি চাই বনাম উকিল সমাচার

রোজিনা আপার মুক্তি চাই বনাম উকিল সমাচার জামিন অযোগ্য মামলায় ও সান্তনা স্বরুপ উকিলরা বলে থাকে জামিন হবে চিন্তার কোন কারন নাই৷ মক্কেলকে মানসিকভাবে স্টোং রাখার জন্য। সত্যিই কি সরকারি দপ্তরের নথিতে হাত এবং বিনা অনুমতিতে ছবি তোলা জামিন যোগ্য অপরাধ! রোজিনা আপা প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক তাই চাপে পড়ে সরকারি কিছু লোক ও পক্ষে কথা বলতেছে। কারন তারা জানে প্রথম আলো আর ডেইলিস্টারের সাংবাদিকতার মান কত কোয়ালিটিফুল যাদের পিছনে লাগবে তারা শেষ হয়ে যাবে। সেটা কিন্তু এস কে সিনার একটা রায়ের পর বলা হয়ে ছিলো।

রোজিনা আপার জায়গায় যদি অন্য কোন লোক হতো মিনিমাম ১০ দিন রিমান্ডে থাকতো। সরকারি দপ্তরের নথি চুরি আর বিনা অনুমতিতে ছবির তোলার মামলায় কখনো নিম্ন কোট জামিনদিতে পারে? কিন্তু ইনশাল্লাহ আশা করি সবকিছু ঠিক থাকলে রোজিনা আপার জামিন হবে রবিবার। যে কোন দপ্তরের সাথে কিছু কিছু কোম্পানির সাথে সিক্রেট চুক্তি হয় যে গুলো কখনো প্রকাশ পায় না।

যদিও প্রকাশ করে তাহলে সেটর প্রথম টুকু আর শেষ টুকু মাঝখানের চুক্তি অজানা থেকে যায়। আমার লোকাল সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ থাকবে হুটহাট করে কোন সরকারি অফিসে প্রবেশ করবেন না। তাহলে দেখবেন সবকিছু সাজিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করবে। কিছু কিছু নিউজপেপারে প্রথম আলোর রোজিনা আপাকে কথিত সাংবাদিক বলছে নাকি সে কথিত সাংবাদিক হলে প্রকৃত সাংবাদিক কারা? গ্রয়াজুয়েশন শেষ করার পর থেকে প্রথম আলো আর ডেইলিস্টার সম্পাদকীয় পড়ি।

জবের জন্য বিকল্প এর খুব কম নিউজপেপার আছে। যারা সরকারি জবের জন্য পড়াশুনা করে তাদের পড়তে হয় তাহলে একবার বুঝুন এদের রিপোটারদের কোয়ালিটি কি রকম! কিন্তু সত্যি ই যদি সে অপরাধ করে থাকে যেহেতু সে প্রকাশ করে নাই তাই সে এমনি কনসিডারেশন পায়। তাছাড়া তাকে তো ৫ ঘণ্টা তল্লাশি করে তারপর পুলিশের হাতে দিছে।


আরো পড়ুন: বৈচিত্রা – সুমাইয়া শাহরীন
আরো পড়ুন: নতুন দিনের পৃথিবী – মুহাম্মদ আলমামুন আব্দুল্লাহ
আরো পড়ুন: তবুও ভালোবাসি – নুর আতিকুন নেছা
আরো পড়ুন: শিশু মাদকাসক্ত হওয়ার পেছনে দায়ী পরিবার: মো: রাকিব হাওলাদার


সুতারং এতে প্রমাণ হয় সে কিছই নিয়ে নিতে পারে নাই। তাই এই রকম একজন সন্মানিত মহিলার বিরুদ্ধ এই জঘন্য নক্কার জনক মামলা তুলে নেওয়া উচিত। যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে তাতে তো তাকে বিদেশী কোন গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট বানিয়ে ফেলতেছেন।

পরবতীতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিরক্ষা বিভাগের নথির জন্য ও লোক লাগানোর উপায় খুজবে। এতে দেশের ই ক্ষতি হবে। পরিশেষে কথা হলো যতোদিন না সাংবাদিকেরা রাজনীতি মুক্ত হবে ততোদিন সাংবাদিকরা নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হতে থাকবে।

 

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলেও এখানে ক্লিক করুন।

 

রোজিনা আপার মুক্তি চাই বনাম উকিল সমাচার

Leave a Comment