ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ আইন দলিল ও খতিয়ান বিষয়ক

‘পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প বিধিমালা’ ২০০৮

বিধিঃ ১। সংক্ষিপ্ত শিরােনাম।

এই বিধিমালা পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প (ভূমি। অধিগ্রহণ) (ক্ষতিপূরণ দাবি প্রথ্যাখ্যান) বিধিমালা, ২০০৮ নামে অভিহিত হইবে। বিধি ও ২।

সংজ্ঞা।- বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই বিধিমালায়

  • (ক) “অধ্যাদেশ” অর্থ পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প (ভূমি অধিগ্রহণ) অধ্যাদেশ, ২০০৭ (২০০৭ সনের ১৪ নং অধ্যাদেশ)
  • (খ) “তালিকা” অর্থ বিধি ৩-এর অধীন প্রণীত কোন তালিকা।
  • (গ) “নির্ধারিত তারিখ” অর্থ পদ্মা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের তারিখ।

 

বিধিঃ ৩। ক্ষতিপূরণের দাবি প্রত্যাখ্যানের উদ্দেশ্যে অনুসরণীয় পদ্ধতি।

(১) অধ্যাদেশের ৫ ধারার অধীন ক্ষতিপূরণের দাবি প্রত্যাখ্যানের উদ্দেশ্যে অধিগ্রহণাধীন বা অধিগ্রহণের সম্ভাবনা রহিয়াছে- (ক) এইরূপ জমিতে নির্ধারিত তারিখের পূর্ব হইতে বিদ্যমান ঘরবাড়ি ও এই সমস্ত

ঘরবাড়িতে বসবাসরত ব্যক্তিবর্গ, অন্যান্য স্থাপনা এবং উক্ত জমির শ্রেণীর বিবরণ সম্বলিত একটি তালিকা প্রস্তুত করিতে হইবে।

উক্ত জমিতে নির্ধারিত তারিখের পরে কোন ঘরবাড়ি বা অন্যান্য স্থাপনা নির্মিত।

হইয়া থাকিলে বা নির্মাণাধীন থাকিলে অথবা উক্ত জমির শ্রেণীর পরিবর্তন করা হইলে তৎসংশ্লিষ্ট তথ্য সম্বলিত অপর একটি তালিকা প্রস্তুত করিতে হইবে।

আরো পড়ুন:  দলিল ও খতিয়ান বিষয়ক আলোচনা

(২) তালিকা প্রস্তুতের সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা সংশ্লিষ্ট রাজস্ব অফিসের রেকর্ডপত্র পর্যালােচনা করিয়া প্রয়ােজনীয় তথ্য তালিকায় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।

(৩) এই বিধিতে যাহা কিচুই থাকুক না কেন, কোন কোন বিশেষ ক্ষেত্রে এই বিধিমালায় বিধৃত পদ্ধতি অপর্যাপ্ত হইলে,

জেলা প্রশাসক তাহার বিবেচনামতে যথােপযুক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে পারিবেন।

►► আরো দেখো: ৫ টি ইউটিউবে সফল হওয়ার টিপস
►► আরো দেখো: টাকা উপার্জন করার অ্যাপ ২০২২ (১০০% নিশ্চিত)

বিধিঃ ৪। তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়।

(১) বিধি ৩-এর অধীন তালিকা। প্রস্তুতকরণের সময় নিম্নবর্ণিত বিষয়াবলী বিবেচনা করিতে হইবে। যথাঃ

  • (ক) সংশ্লিষ্ট জমিতে বিদ্যমান ঘরবাড়ি বা অন্যান্য স্থাপনায় কোন গাছপালা থাকিলে উহা নির্ধারিত তারিখের পূর্ব হইতেই ছিল কি না এবং উক্ত গাছপালার আনুমানিক বয়।
  • (খ) সংশ্লিষ্ট জমিতে বিদ্যমান ঘরবাড়ি বা অন্যান্য স্থাপনার আনুমানিক বয়স।
  • (গ) সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্যান্য ঘরবাড়ি বা স্থাপনার জন্য ব্যবহৃত ভিটির উচ্চতার সহিত উক্ত জমিতে বিদ্যমান ঘরবাড়ি বা স্থাপনার ভিটির উচ্চতর তুলনা।

(২) উপবিধি (১)-এ উল্লিখিত বিষয়গুলি ছাড়াও সংশ্লিষ্ট জমিতে বিদ্যমান ঘরবাড়িতে লােকজনের অবস্থান বা গমনাগমন আছে কি না তাহা বিবেচনা করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি পর্যবেক্ষণ করিতে হইবে। যথাঃ (ক) ঘরবাড়ির ক্ষেত্রে — (অ) উহাতে বসবাসকারী লােকজন একই পরিবারভুক্ত কিনা, এবং একই পরিবারভুক্ত না হইলে তাহাদের একত্রে বসবাসের পর্যাপ্ত কারণ আছে কিনা। (আ) উহা দরজা-জানালা সম্বলিত কিনা এবং বসবাসের জন্য দৈনন্দিন প্রয়ােজন।

আরো পড়ুন:  চুক্তি আইন কাকে বলে?

হয় এইরূপ আসবাব ও তৈজসপত্র সেখানে আছে কিনা। স্থাপনার ক্ষেত্রে, উহার অবকাঠামাে, যন্ত্রপাতি এবং বাস্তবে সেখানে কোন অর্থনেতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় কিনা। এবং সাধারণভাবে, উক্ত ঘরবাড়িতে বসবাসকারী মহিলা ও শিশুদের এবং উক্ত স্থাপনায় গমনাগমনকারী ব্যক্তি বা পার্শ্ববর্তী যেকোন ব্যক্তির নিকট হইতে প্রাপ্ত তথ্য।

যুক্ত হোন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে, এখানে ক্লিক করুন এবং আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকুন ফেইজবুক পেইজে এখানে ক্লিক করে।

Check Also

ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ আইন দলিল ও খতিয়ান বিষয়ক

ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ আইন জানুন!

ড্রাগস তৈয়ার, আমদানি, বন্টন, বিক্রয় ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত আইন। ধারাঃ ১! সংক্ষিপ্ত শিরোনাম- এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published.